আশরাফুল আলম সজিব।।টঙ্গী ইজতেমা ময়দানে হামলাকারী সাদপন্থী সন্ত্রাসী খুনিদের ফাঁসি, কাকরাইল মারকাজ ও ইজতেমা ময়দানে তাঁদেরকে অবাঞ্চিত ঘোষণা, খুনি সন্ত্রাসী সা'দ বাহিনীর সকল কার্যক্রম বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করার দাবিতে ভোলা জেলা ওলামা মাশায়েখ ও তৌহিদী জনতা বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা এবং স্মারকলিপি প্রদান করেছে ওলামা-মা মাসায়েক ও তৌহিদী জনতা।
বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টায় হাট খোলা জামে মসজিদের প্রাঙ্গণ থেকে এ বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা এবং স্বারক লিপি প্রদান করা হয়। প্রতিবাদ সভা থেকে বক্তারা বলেন, তাবলীগ জামাতের সুন্দর সুশৃঙ্খল কাজের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টিকারী সা'দপন্থী এতাতী জামাত দীর্ঘদিন বাংলাদেশে তাবলীগ জামাতের কাজের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। এরই মধ্যে ১লা ডিসেম্বর ২০১৮ সালে ইজতেমার ময়দানে হামলা করে তাবলীগ জামাতের সাথী আলেম ওলামা ও নিরীহ ছাত্রদের মারাত্মক আহত সহ ১ জনকে খুন করে। তৎকালীন ফ্যাসিবাদী সরকারের কাছে আমরা এর কোন বিচার পাননি। কিন্তু জুলাই/আগষ্টের বিপ্লবের পরে ছাত্র জনতার অর্জিত স্বাধীনতা বিনষ্ট করতে নতুন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে সা'দপন্থীরা। এতাতি গ্রুপ তথা সা'দপন্থীরা গত ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪ ইং তারিখে দিবাগত রাত ৩ টা ৩০ মিনিটে টঙ্গী ইজতেমা মাঠে তাবলীগের সাথী ও মাদ্রাসার ছাত্রদের উপর অত্যন্ত নির্মম ও বর্বরচিত ভাবে সন্ত্রাসী হামলা করেছে। এতে আমাদের ৪ জন সাথী নিহত ও প্রায় ৫ শতাধিক সাথী আহত হয়েছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে খুনিদের ফাঁসি ও খুনি সন্ত্রাসী সা'দপন্থীদের সকল কার্যক্রম বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করার দাবি জানান।
প্রতিবাদ সভা শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। পরে তাবলীগ জামাতের নেতৃবৃন্দু জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।
প্রকাশক ও সম্পাদক: আশরাফুল আলম সজিব