তিনি জানান, গত ৩০ আগস্ট ভোরে ফজরের নামাজ পড়তে বের হওয়ার সময় বাড়ির সামনে আরিফের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এসময় তার কপাল ভাঙা, মুখ ক্ষত-বিক্ষত ও হাতের কব্জি কাটা অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, ঘটনার দুই সপ্তাহ পার হলেও পরিবারের হাতে এজাহার কপি ও পোস্টমর্টেম রিপোর্ট দেওয়া হয়নি। বরং পুলিশের রিপোর্টে আরিফকে মাদকাসক্ত বলা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক বলে দাবি করেন তিনি।
নিহতের বাবা আরও বলেন, আমার ছেলে কখনো মাদকের সঙ্গে জড়িত ছিল না। পুলিশের তদন্তে অসঙ্গতি ও সত্য গোপনের চেষ্টা স্পষ্ট। তিনি মামলাটি পিবিআই বা সিআইডির কাছে হস্তান্তর করে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য প্রধান উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও পুলিশ সুপারের কাছে দাবি জানান।
উল্লেখ, গত ৩০ আগস্ট ভোর রাতে তার নিজ বাসার সামনে রক্তাক্ত অবস্থায় তার মৃত দেহ পড়ে থাকতে দেখে তার পরিবার। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। দির্ঘ ১৪ দিন পর পুলিশ তাদের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করন। উক্ত তদন্ত প্রতিবেদনে পুলিশ দাবী করেন নিহত আরিফ তার বাসার ছাদ থেকে পরে মারা যায়।
অপরদিকে পুলিশের এই রিপোর্টকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবী করে নিহতের পরিবার বলছেন এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড।