আশরাফুল আলম সজিব।। অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে ইলিশা-ঢাকা লঞ্চ ঘাটের গ্যাংওয়ে, ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ লঞ্চ যাত্রীরা। যাত্রীদের দুর্ভোগ চড়মে। সমস্যা সমাধানে কোন ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে না বিআইডব্লিউটিএ ও ঘাট ইজারাদার।
সোমবার (১২ আগস্ট) ইলিশা লঞ্চঘাটে গিয়ে দেখা যায়, অতিরিক্ত জোয়ারের ফলে পল্টনে ওঠার রাস্তা ও সিড়ি সহ গ্যাংওয়েটি ২ ফুট পানির নিচে ডুবে রয়েছে। ফলে ঢাকা-ভোলা, ভোলা-লক্ষ্মীপুরের লঞ্চ যাত্রীরা তাদের ব্যাগ ব্যাগেজ ও শিশু সন্তানদের নিয়ে জুতা খুলে হাঁটু পরিমান পানিতে ঝুঁকির মধ্যে দিয়ে যাতায়াত করছে। অসুস্থ রোগী, বৃদ্ধ ও শিশুদের বেলায় রয়েছে চড়ম ঝুঁকি, যেকোনো সময়ে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। ঝুঁকিপূর্ণ হওয়া সত্বেও এ বিষয়ে চড়ম উদাসীন বিআইডব্লিউটিএ ও ঘাট ইজারাদাররা।
লঞ্চ যাত্রী মিলন অভিযোগ করে বলেন, একে তো নদী ভাঙ্গার কারনে ঘাটটি বারবার স্থান পরিবর্তন হচ্ছে তার উপর আমাবস্যা ও পূর্ণিমার জোয়ার সহ ঝড়-বৃষ্টিতে এমন ঘটনা ঘটলেও যাত্রীদের নিরাপত্তায় এ ঘাটটি উন্নয়নের কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না বিআইডব্লিউটিএ ও ইজারাদাররা। আবুল কালাম জানান, ব্যবসা-বাণিজ্যের কারণে প্রায় ঢাকা যেতে হয়, ইজারাদাররা তাদের টাকা নিয়ে যায় আর বিআইডব্লিউটি এর কর্মকর্তারা পল্টুনে ফিটনেস বিহীন লঞ্চ ও ষ্টীল বডি চলাচলের অনুমতি দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে তবুও জনগণের দুর্ভোগ লাগবে তারা কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না ফলে আমরা জনগণ আমাদের দুর্ভোগ আমাদের সাথেই রয়ে যায়।
এ বিষয়ে ঘাট ইজারাদার মো: আল-আমীন হাওলাদার বলেন, আমরা বিআইডব্লিউটিএ-কে বিষয়টি জানিয়েছি, তারা বলেছে সামনে কিছু কাজ হবে; টেন্ডার হইতেছে তাঁরা ব্যবস্থা নিবে। আপাতত বিকল্প হিসেবে সিড়ির ব্যবস্থা করে দিয়েছি।
বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তা মো: রিয়াদ হোসেন বলেন, এটি একটি প্রকৃতিক দুর্যোগ বলা চলে, স্বাভাবিক অবস্থায় এরকম থাকে না হঠাৎ করে পানি বাড়ে; ২ থেকে ১ দিন থাকে। এ বিষয়টি নিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে কথা হয়েছে এবং একটি প্রস্তাবনা দিয়েছি, এপ্রোচ রোড নির্মাণ করে উঁচু করার জন্য। বিষয়টি নিয়ে ঢাকায় আলোচনা চলছে।