এ ঘটনায় সন্দেহজনক হিসেবে মো. রোকন (১৬) নামের একজনকে আটক করা হয়েছে।
এর আগে গত রোববার সকালে নিজ বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন শিশু ইসমাঈল। পরিবারের সদস্যরা তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান না পেয়ে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পরে মঙ্গলবার সকালে পাশের একটি খাল থেকে শিশুটির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শিশু ইসমাঈল হাওলাদার মার্কেট এলাকার আকবর মিয়া ও রুমা বেগমের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সকালে খালের পানিতে একটি বস্তা ভেসে যেতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে তারা বস্তাটি তীরে তুলে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাটি খুলে ভেতরে এক শিশুর মরদেহ দেখতে পান। পরে ইসমাঈলের পরিবারকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ শনাক্ত করেন।
এদিকে ঘটনার পর সন্দেহভাজন হিসেবে মো. রোকন নামের একজনকে আটক করেছে পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে এ বিষয়ে এখনো কিছু বলছেন না পুলিশ।
যদিও স্থানীয় অনেকের ভাষ্যমতে, গত রোববার সকালে ৩ হাজার টাকা নিয়ে শিশু ইসমাঈলের বাবা আকবর মিয়ার সঙ্গে রোকন নামে এক যুবকের বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়। এ সময় রোকন ইসমাঈলের বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকি দেন। এর কিছু সময় পরই শিশু ইসমাঈল নিখোঁজ হন।
এদিকে শিশু ইসমাঈলের মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শুরু হয় তোলপাড় শিশুটির পরিবারের মাঝে নেমে আসে শোকের ছায়া। মরদেহ শনাক্তের পর স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে সেখানকার আকাশ বাতাস। সন্তানকে হারিয়ে বারবার কান্নায় ভেঙে পড়েন ইসমাঈলের মা রুমা বেগম।
এ ব্যাপারে বোরহানউদ্দিন থানার পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মো. জসিম উদ্দিন জানান, সন্দেহভাজন হিসেব একজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে আপাতত এ বিষয়ে কিছু বলতে পারছি না। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।