
নিন্ম চাপের প্রভাবে ভোলায় গত ২৪ ঘন্টায় একটানা মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় ৩ নম্বর এবং ভোলা সহ দক্ষিনাঞ্চলীয় সকল নদী বন্দরকে ২ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এবং মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদী বেশী উত্তাল রয়েছে। ভোলা – লক্ষ্মীপূুর সহ ডেঞ্জার রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় আজ বিকাল পর্যন্ত ভোলায় ৯১.৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
গত দুই দিন ধরে ভোলা সহ উপকূলীয় এলাকায় বজ্রপাত সহ থেমে থেমে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এতে জনজীবনে স্বভাবিক কর্ম বাঁধাগ্রস্থ হয়ে পড়েছে। ভোগান্তিতে পড়েছে দিনমজুর ও শ্রমজীবী মানুষ। রাস্তা-ঘাট, খাল-বিলে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। সমুদ্র বন্দরগুলোতে ৩ নম্বর ও নদীবন্দরগুলোতে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত থাকায় মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
ভোলার দৌলতখান, তজুমদ্দিন, চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলার মৎস্য ঘাটের মাছ ব্যবসায়ী মোঃ জামাল উদ্দিন, কামাল মাঝি ও শাহীন মালতিয়া কালবেলাকে বলেন, সাগরে মাছধরার ফিশিং বোট ও ছোট ট্রলারগুলো নিরপদ আশ্রয়ে রয়েছে।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব জানান, ট্রলারগুলো উপকূলের কাছাকাছি রয়েছে। ছোট ছোট নৌকা ও ট্রলারগুলো নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।
ভোলা বিআইডব্লিউটিএর সহকারী পরিচালক শহীদুল ইসলাম জানান, উপকূলীয় নদীবন্দর গুলোতে ২ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত থাকায় ভোলা – লক্ষ্মীপুর সহ ডেঞ্জার রুটে চলাচলকারী সব ধরনের লঞ্চ ও ছোট ছোট নৌযান বন্ধ রয়েছে।
ভোলা আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের প্রভাবে সমুদ্র বন্দরগুলোতে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত রয়েছে। এ অবস্থা আরও কয়েকদিন থাকতে পারে। তবে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি-বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। মেঘনা মোহনায় মাছধরার সকল জেলেদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় ভোলায় ৯১.৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।