
স্টাফ রিপোর্টার।।আগামী ১৫ মার্চ জাতীয় ভিটামিন “এ” প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে ভোলার সিভিল সার্জনের সাথে সাংবাদিকদের মত বিনিময় হয়েছে। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের হলরুমে আজ বৃহস্পতিবার বেলা তিনটায় এ মতবিনিময়সভা হয়েছে। জেলার আড়াইশ’শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা.শেখ সুফিয়ান রুস্তমের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,সিভিল সার্জন ডা.মো: মনিরুল ইসলাম। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, উপকুলীয় জেলা ভোলায় এবার দুই লাখ ৮৯ হাজার ৫৭০ জন শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসূল খাওয়ানো হবে। আগামী ১৫ মার্চ জেলার ৭ উপজেলা ও চারটি পৌর এলাকার শুন্য থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। তিনি জানান,এ প্লাস ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নে এরই মধ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় । আগামী ১৫ মার্চ দেশব্যাপী ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। জেলার সব ইপিআই (টিকাদান) কেন্দ্রে এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। স্বাস্থ্য সহকারী, কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার ও স্বাস্থ্যকর্মীরা টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ে কাজ করবেন। পুরো ক্যাম্পেইন তদারকি করবেন স্ব স্ব উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। ওই দিন শুন্য থেকে ৫ বছর বয়সী সকল শিশুকে বিনামূল্যে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। যে সব শিশুর বয়স শুন্যথেকে ১১ মাস, তাদের জন্য নীল ক্যাপসুল ও ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লাল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এরই মধ্যে জেলার সব উপজেলায় টিকা ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌছে সরবরাহ সম্পন্ন হয়েছে। কেন্দ্রগুলোতে টিকা সরবরাহ ও স্বাস্থ্যকর্মীদের এ সংক্রান্ত যাবতীয় প্রশিক্ষণ ও অবহিতকরণ সম্পন্ন হয়েছে। তিনি জানান,সঠিকভাবে এ ক্যাম্পেইন তদারকির জন্য জেলায় ২৭১ জন স্বাস্থ্য সহকারী,১২৭ জন পরিবার পরিকল্পনা কর্মী,২২১জন সিএইচসিপি ও ২২১৬ জন সেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হয়েছে। তিনি জানান,জেলায় সর্ব মোট ১৬৮০ টি অস্থায়ী কেন্দ্র ও ১৬৮৯ টি স্থায়ী কেন্দ্র এ ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। বাস ষ্টেশন ও লঞ্চ টার্মিনালগুলোতেও ক্যাম্পেইন বাস্তবায়ন করতে স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে ভ্রাম্যমান টিম গঠন করা হয়েছে বলেও জানান সিভিল সার্জন।