চলতি মৌসুমে তীব্র গরমে নাকাল ভোলার তৃষ্ণার্ত মানুষের পার্শ্বে ছুটে এসেছেন-সেখানকার বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও মেসার্স ব্রাদার্স নেভিগেশন কোম্পানির কর্ণধার “এমভি কর্ণফুলী” লঞ্চের মালিক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন মিয়া। মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বিবেচনা করে প্রচন্ড গরমে অতিষ্ঠ মানুষগুলোর জন্য একটু ঠান্ডা কোমল পানীয় সরবতের আয়োজন করেছেন তিনি। পাশাপাশি কাঠফাটা রৌদ্র হতে রক্ষা পেতে সকল শ্রেনীপেশার মানুষের জন্য ছাতা বিতরণের দৃশ্যটিও সবাইকে মুগ্ধ করেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিদিন জেলা সদর ভোলার ইলিশা জংশন লঞ্চ টার্মিনাল, জেলা শহরের সদর রোডসহ বেশ কয়েকটি জনবহুল এলাকায় তৃষ্ণার্ত মানুষের মাঝে ঠান্ডা সরবত ও ছাতা বিতরণের কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। ওই কোম্পানির কো-অর্ডিনেটর মো:আলাউদ্দিনের নেতৃত্বে প্রায় অর্ধশত ভলান্টিয়ার মানবতার এ সেবা কার্জে নিয়োজিত রয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে মো:আলাউদ্দিন গণমাধ্যমকে জানান,কোম্পানির মালিক সালাউদ্দিন মিয়ার নির্দেশনামোতাবেক আমরা মানব সেবার এই কাজে নিজেদের সমর্পণ করেছি। তিনি বলেন,প্রতিদিন আমরা কয়েকশত মানুষের মাঝে সরবত,ছাতা এবং আমাদের যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে বিশুদ্ধ বোতলজাত পানি বিতরন সেবাও দিয়ে আসছি। মো:আলাউদ্দিন আরো জানান,আমাদের যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পবিত্র রমজানে যাত্রীদের জন্য ফ্রি ইফতার বিতরণ সেবার প্রচলন করেছি। তাছাড়া মানুষের মৃতদেহ অত্যন্ত যত্ন সহকারে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় নির্দিষ্ট স্থানে রাখার জায়গাও রয়েছে আমাদের লঞ্চগুলোতে । লঞ্চ মালিকের ভাতিজা মো: জসিমউদদীন গণমাধ্যমকে বলেন,আমরা অস্বচ্ছল,দূস্থ্য,সমস্যাগ্রস্থ্য ও অসূস্থ্য মানুষের পার্শ্বে সবসময়-ই সহযোগিতার হাত প্রশস্ত রাখি। ভোলার সব শ্রেনীর মানুষের খেদমতে তারা সর্বদা-ই স্বচেষ্ট আছেন বলেও জানান,লঞ্চ মালিক পক্ষ জসিমউদদীন মিয়া। এ বিষয়ে সুবিধাভোগী বেশ কয়েকজনের সাথে আলাপকালে তারা নিজেদের প্রতিক্রিয়ায় বলেন,বিশিষ্ট সমাজ সেবক সালাউদ্দিন মিয়ার এমন মানবিক মূল্যবোধ ও মন-মানসিকতা একটি অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এমন ভালো কর্ম পরকালের জন্য নাজাত ও সদকায়ে জারিয়া হিসেবে মহান রাব্বুল আ-লা-মি-ন কবুল করবেন বলেও প্রত্যাশা করছেন,উপকারভোগী শ্রেনীপেশার মানুষ।