• বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন

ভোলার সাগর মোহনায় কোনো বহিরাগত জেলেরা আমাদের মৎস্য সম্পদ যেনো নিয়ে যেতে না পারে সেজন্য নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ড সর্বদা নিয়োজিত থাকবেঃ ভোলায় নৌবাহিনী প্রধান

আশরাফুল আলম সজিব / ২৬৭ বার ভিউ
আপডেট : সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

দেশব্যাপী উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উপকূলীয় অঞ্চলের তৃণমূল পর্যায়ে নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। তাদের কার্যক্রম পরিদর্শন করছেন নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান।
ভোলা জেলার সার্বিক নিরাপত্তা, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, রাষ্ট্রীয় অবকাঠামোর সুরক্ষা এবং যৌথ বাহিনীর কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করেন তিনি।
পরিদর্শন শেষে সোমবার (০৯সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় ভোলা সার্কিট হাউজে নৌ কন্টিনজেন্ট, স্থানীয় প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে মতবিনিময় করেন।
মতবিনিময় শেষে এক প্রেস ব্রিফিং কালে তিনি বলেন, আমাদের ছাত্র জনতার সফল আন্দোলনে দেশে যে পরিবর্তন এসেছে এ পরিবর্তনের সুফল যাতে এদেশের জনগণ পায় তাই সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে। ভোলায় ১৫০ কিলোমিটার এলাকার জলপথ রয়েছে। এ জলপথ পাহারা দেয়ার জন্য আগে থেকেই পুলিশ ও কোস্ট গার্ড মোতায়েন ছিল। বর্তমানে নৌ বাহিনী এখানে কাজ করছে। জনগনের নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। বিশেষ করে সাগর মোহনায় বাংলাদেশের জল সীমানায় কোনো বহিরাগত জেলেরা যেনো আমাদের মৎস্য সম্পদ নিয়ে যেতে না পারে সেজন্য টহল জোরদার করা হবে যাতে কোনো ধরনের চাঁদাবাজী ও সহিংসতা না হয় সেজন্য নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ড সর্বদা নিয়োজিত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, দেড় মাস যাবত আমাদের নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছে। তাদের কার্যক্রম দেখার জন্যই আজ এখানে এসেছি। আমাদের সশস্ত্র বাহিনী বিশেষ করে নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী সব সময় জনগণের পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রশাসনকে আমরা সহায়তা করছি। ভোলা এরিয়ায় যে কমান্ডার আছে তিনি জেলা প্রশাসনের সাথে বসে সমস্যার সমাধানের জন্য একসাথে কাজ করবে। তবে এখানে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। বিশেষ করে জনগণের কিছু দাবি রয়েছে। এখানে প্রচুর গ্যাস রয়েছে, স্থানীয় এলাকাবাসী যাতে এই গ্যাস পায় সেজন্য তাদের দাবীগুলো আমি সরকারের কাছে উপস্থাপন করবো।
সরকার পতনের পর ভোলার বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে নৈবাহিনী প্রধান বলেন, ৫ আগস্টের পর এ ধরনের ঘটনা সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। তিনি বলেন, আমরা জানতে পেরেছি ভোলায় ৯৭ টি বৌধ আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে দুইটি ঢাকা সহ মোট ৮৬টি অস্ত্র জমা পড়েছে। বাকি ১১ টি লাইসেন্স এর বিপরীতে কোন আগ্নেয়াস্ত্র কেনা হয়নি বলে জানা গেছে। উপকূলের চরাঞ্চলে যেসব অবৈধ অস্ত্র রয়েছে তা গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টের ভিত্তিতে এসব অস্ত্র উদ্ধারে প্রশাসনের সহায়তায় যৌথ বাহিনী কাজ করবে। নৌবাহিনী প্রধান, সকলের সম্মিলিত প্রয়াসে বিরাজমান পরিস্থিতি মোকাবিলা করে একটি জনবান্ধব ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো: শওকত আলী, ভোলা জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামান, পুলিশ সুপার মাহিদুজ্জামান বিপিএম সহ নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, পুলিশ বাহিনীর কর্মকর্তা বৃন্দ।

শেয়ার করুন:


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

সার্চ করুন


ক্যাটাগরি


আর্কাইভ