নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভোলা জেলা নেতৃবৃন্দ বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন পিআর পদ্ধতিতে আয়োজন এবং সরকারের প্রতি প্রদত্ত ৫ দফা দাবি বাস্তবায়ন না হলে দেশব্যাপী নতুন করে গণঅভ্যুত্থানের ডাক দেয়া হবে।
রবিবার (১২ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৩টায় ভোলা প্রেসক্লাব চত্বরে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলেন জেলা নেতারা।
নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা আশা করছি নির্বাচন হবে পিআর পদ্ধতিতে। পাশাপাশি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত, জুলাই সনদ প্রণয়ন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার জুলুম-নির্যাতন ও গণহত্যার বিচার এবং জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা—এই পাঁচ দাবি বাস্তবায়ন করবে সরকার। তবে সরকারের শুভবুদ্ধির ব্যত্যয় ঘটলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আবারও গণঅভ্যুত্থানের ঘোষণা দেয়া হবে।
তারা আরও বলেন, বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে হটিয়ে ড. ইউনুসের নেতৃত্বে বর্তমান সরকারকে বসিয়েছে। কিন্তু সেই আন্দোলনের সুফল এখনো জনগণ পায়নি। তাই জামায়াতে ইসলামী ৫ দফা দাবি নিয়ে পুনরায় রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছে।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ভোলা জেলা জামায়াতে ইসলামী আমীর মাস্টার মো. জাকির হোসাইন। বক্তব্য রাখেন জেলা সেক্রেটারি মাওলানা হারুনুর রশিদ, ভোলা-১ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, ভোলা-২ আসনের প্রার্থী মাওলানা ফজলুল করিম, ভোলা-৩ আসনের সমর্থিত প্রার্থী নিজামুল হক নাঈম, ভোলা-৪ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল, জেলা সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আব্বাস উদ্দিন, মাওলানা আক্তার উল্লাহ, মাওলানা ইসমাইল হোসেন মনির, সদর আমীর মাওলানা কামাল হোসেন, পৌর আমীর জামাল উদ্দিন এবং ছাত্রশিবির শহর সভাপতি আব্দুল্লাহ আল আমিনসহ জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশ শেষে নেতৃবৃন্দ ভোলা জেলা প্রশাসক মো. আজাদ জাহান এর মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর ৫ দফা দাবিসংবলিত স্মারকলিপি প্রদান করেন।