আশরাফুল আলম সজিব।। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে সোমবার (শেষ দিন) মধ্যরাত থেকে সারাদেশের মতো ভোলার চারটি সংসদীয় আসনেও প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে। শেষ দিনে প্রতিটি আসনেই প্রার্থীরা জনসভা, গণমিছিল ও শোডাউনের মাধ্যমে প্রচারণার ইতি টানেন।
ভোলা সদর–১ আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের গরুর গাড়ি প্রতীকের প্রার্থী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থের সমর্থনে সোমবার সন্ধ্যার পর ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে একটি বিশাল গণমিছিল বের করা হয়।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নজরুল ইসলামের পক্ষে বিকাল ৪টায় ভোলা শহরের কালীনাথ রায়ের বাজার থেকে শেষ দিনের গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
অন্যদিকে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা ওবায়েদুর রহমানের শেষ নির্বাচনী জনসভা রোববার সন্ধ্যায় ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।
ভোলা–২ আসনে দৌলতখান উপজেলায় সোমবার সকাল ১১টায় বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিমের সমর্থনে শেষ নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়া বোরহানউদ্দিন উপজেলার সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিকাল ৩টায় তার সমর্থনে আরেকটি শেষ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
অপরদিকে, জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি মাওলানা ফজলুর রহমানের পক্ষে বিকাল ৪টায় গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
ভোলা–৩ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম রোববার তজুমদ্দিন উপজেলায় তার শেষ নির্বাচনী জনসভা করেন।
সোমবার বিকাল ৪টায় লালমোহন উপজেলার সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিএনপির আয়োজনে তার সমর্থনে শেষ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত সমর্থিত পিডিএফ মনোনীত ফুলকপি প্রতীকের প্রার্থী নিজামুল ইসলাম নাইমের সমর্থনে সোমবার বিকাল ৪টায় তজুমদ্দিন উপজেলায় শেষ দিনের গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
ভোলা–৪ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নুরুল ইসলাম নয়নের সমর্থনে সোমবার বিকাল ৩টায় চরফ্যাশনে শেষ নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক মো. মোস্তফা কামালের পক্ষে এর আগে ৪ ফেব্রুয়ারি চরফ্যাশন টিবি স্কুল মাঠে এবং ৬ ফেব্রুয়ারি মনপুরা উপজেলায় পৃথক নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
শেষ দিনে ভোলার চারটি আসনেই প্রার্থীদের প্রচারণায় ব্যাপক জনসমাগম লক্ষ্য করা গেছে। এখন ভোটের অপেক্ষায় ভোলাবাসী।